তীব্র বৈশাখী গরমে হাঁসফাঁস করছে কক্সবাজার। এই দাবদাহের মধ্যেই স্বস্তির খোঁজে পর্যটকদের ঢল নেমেছে হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানে। সমুদ্র, পাহাড়, সবুজ বন আর শীতল ঝরনার অনন্য মিশ্রণে গড়ে ওঠা এই স্থানটি এখন ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য।

কক্সবাজার শহর থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত। বৈশাখ মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রখর রোদ উপেক্ষা করেও পর্যটকরা ছুটে আসছেন পাহাড়ি ছায়া আর ঠান্ডা পরিবেশের টানে।

সকালের দিকে দেখা যায়, দল বেঁধে পর্যটকরা পাহাড়ি ট্রেইল বেয়ে ওপরে উঠছেন। কেউ ঝরনার শীতল জলে সময় কাটাচ্ছেন, আবার কেউ পাহাড়চূড়া থেকে নীল সমুদ্রের বিস্তৃত দৃশ্য উপভোগ করছেন। অনেকের মতে, চারপাশের সবুজ আর নিরিবিলি পরিবেশ গরমজনিত ক্লান্তি অনেকটাই দূর করে দেয়।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রাকিব হাসান বলেন, কক্সবাজারে গরম থাকলেও হিমছড়িতে এসে আলাদা অনুভূতি পাওয়া যায়। এখানে বাতাস অনেক ঠান্ডা এবং ঝরনার পানি বেশ স্বস্তিদায়ক।

চট্টগ্রাম থেকে আসা আদিল জানান, মূলত সমুদ্র দেখতেই এসেছিলেন। তবে গরমের কারণে হিমছড়িতে ঘুরতে এসে প্রশান্তি পেয়েছেন, যা শহরে পাওয়া কঠিন।

আরেক দর্শনার্থী ইমরান হোসেন বলেন, পাহাড়ে উঠে ওপর থেকে সমুদ্র দেখা অসাধারণ অভিজ্ঞতা। গরমের মধ্যেও জায়গাটি আরাম দেয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পর্যটকের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ভিড় বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিক্রিও বেড়েছে।