আজ ঈদুল ফিতরের দিন। আনন্দের এই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি ও কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে সকালে ঈদের নামাজে যাতায়াত এবং বিকেলের ঘোরাঘুরির পরিকল্পনায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা বাতাসের প্রভাবে দেশে কালবৈশাখী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং আগামী কয়েক দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আজ ঈদের দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ৩৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সৈয়দপুর ও রাজারহাটে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় মাদারীপুরে সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, ঢাকায় রেকর্ড হয়েছে ১৭ মিলিমিটার।

ঈদের পরদিন রোববার রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

সোমবার রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় একই ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এদিনও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কালবৈশাখীর সময় হঠাৎ দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকে। তাই ঈদের দিনে বাইরে বের হলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।