বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতা যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে একটি বাস্তবতা। শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থাই টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের প্রধান ভিত্তি। উচ্চশিক্ষায় অগ্রসর দেশগুলো সাধারণত প্রযুক্তি, গবেষণা, উৎপাদনশীলতা ও আয়ে এগিয়ে থাকে। উন্নত দেশগুলোর শিক্ষার মান তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটির সাম্প্রতিক তুলনামূলক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ডিগ্রি অর্জনের হার বিবেচনায় ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

উচ্চশিক্ষায় প্রায় ৬৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ডিগ্রি রয়েছে। প্রদেশভিত্তিকভাবে পরিচালিত ও সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত শিক্ষা ব্যবস্থা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছে। কারিগরি ও প্রয়োগভিত্তিক শিক্ষায় সাফল্য কানাডাকে এগিয়ে রেখেছে। স্বাস্থ্য, প্রকৌশল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবেশবিজ্ঞানে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানে স্বীকৃত।