টানা প্রায় আট দিনের বৃষ্টির পর বৃষ্টিহীন সকাল পেয়েছে কক্সবাজার। আবহাওয়া অনুকূলে আসতেই বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে আবারও ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা।
রোববার সকাল থেকেই কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের উপস্থিতি দেখা যায়। দীর্ঘ বৃষ্টির বিরতির পর অনেকে সৈকতে ফিরে সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করেন। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সৈকতের তীরে সময় কাটাতেও দেখা যায় দর্শনার্থীদের।
গত এক সপ্তাহ ধরে কক্সবাজারে টানা ভারী ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এতে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যটির সৈকত অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়ে এবং সৈকতকেন্দ্রিক পর্যটন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।
তবে বৃষ্টি কমে আবহাওয়া অনুকূলে আসায় সৈকতে আবার পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে। বিশেষ করে কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের উপস্থিতি পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িতরা আশা করছেন, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে সৈকতনির্ভর ব্যবসা ও পর্যটন কার্যক্রমও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।
কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য। তবে বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া সৈকত ভ্রমণে প্রভাব ফেলতে পারে। এ সময় ভ্রমণকারীদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে এবং স্থানীয় নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে সৈকতে নামার পরামর্শ দেওয়া হয়।