ফাল্গুনের শেষ প্রান্তে এসে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। সামনে গ্রীষ্মের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আবহাওয়ার আগাম ইঙ্গিত মিলছে। এই সময়টিকে অনেকেই ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত মনে করেন। তবে বাড়তি গরমের কারণে কিছু ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

বিশেষ করে শুষ্ক আবহাওয়ায় দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে অনেকের শরীরে ক্লান্তি, ঠান্ডা, জ্বর বা কাশির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় বমি বা দুর্বলতাও অনুভূত হয়। তাই ভ্রমণের ব্যাগে জ্বর, ঠান্ডা, কাশি, গ্যাস ও পানিশূন্যতা প্রতিরোধের ওষুধ রাখা ভালো। প্রয়োজনে স্যালাইনও সঙ্গে রাখা যেতে পারে।

গরমের সময়ে বনাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ হাঁটা এড়িয়ে চলা ভালো। বিশেষ করে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই ভ্রমণে বের হলে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। এতে শরীর সতেজ থাকে এবং অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমে।

এই সময়ে আরামদায়ক ও হালকা পোশাক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। ঢিলেঢালা কাপড় শরীরকে স্বস্তি দেয় এবং চলাফেরাও সহজ হয়। গরমের দিনে ভারী বা আঁটসাঁট পোশাক ভ্রমণের আনন্দ কমিয়ে দিতে পারে।

ভ্রমণের দিনগুলোতে প্রতিদিন গোসল করা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে এবং ক্লান্তি কমে।

সঙ্গে রাখতে পারেন হাতের মুঠোফোন ও অন্যান্য যন্ত্রের চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা। চার্জার ও অতিরিক্ত শক্তি সংরক্ষণ যন্ত্র থাকলে দূরে কোথাও গেলেও যোগাযোগে সমস্যা হয় না। পাশাপাশি মুখ, গলা বা ঘাড় মুছে নেওয়ার জন্য ছোট রুমাল বা গামছা রাখা উপকারী।

রোদের তীব্রতা থেকে চোখ ও ত্বক সুরক্ষায় সানগ্লাস ও সূর্যরোধী প্রসাধনী ব্যবহার করা যেতে পারে। মুখ ও হাত পরিষ্কার রাখার জন্য মুখ ধোয়ার প্রসাধনী বা হাত ধোয়ার তরল সঙ্গে রাখা ভালো। একান্ত প্রয়োজন হলে ভেজা টিস্যুও ব্যবহার করা যেতে পারে।