চৈত্রের দাবদাহে হাঁসফাঁস করা দেশজুড়ে স্বস্তির খোঁজে মানুষের ঢল নেমেছে কক্সবাজারে। প্রখর রোদ উপেক্ষা করেই পর্যটকেরা ছুটছেন সমুদ্রের শীতল জলে, খুঁজে নিচ্ছেন সাময়িক স্বস্তি আর প্রশান্তি।

বাংলা বছরের শেষ মাস চৈত্রে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ ভিড় করছেন সমুদ্রসৈকতে। বিশেষ করে দুপুরের তীব্র গরমেও অনেককে দেখা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরের পানিতে নেমে স্নান করতে। উত্তাল ঢেউ, লবণাক্ত জল আর সমুদ্রের বাতাস মিলিয়ে তৈরি করছে স্বস্তির পরিবেশ।

ঈদের ছুটির পর পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কমলেও সৈকতের প্রাণচাঞ্চল্য কমেনি। ভিড় কম থাকায় অনেকেই এই সময়টিকে বেশি উপভোগ্য বলে মনে করছেন। তুলনামূলক শান্ত পরিবেশে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ মিলছে বেশি।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক সৌরভ জানান, চৈত্রের গরম অনেক সময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। তবে কক্সবাজারে এসে সমুদ্রে নামার পর সেই কষ্ট অনেকটাই কমে যায়। ঢেউয়ের সঙ্গে সময় কাটালে গরম ভুলে থাকা যায়। ঈদের ভিড় না থাকায় এখন পরিবেশও বেশি স্বস্তিদায়ক।

স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসান বলেন, ঈদের মতো অতিরিক্ত ভিড় না থাকলেও প্রতিদিনই মাঝারি সংখ্যক পর্যটক আসছেন। বিশেষ করে দুপুরের দিকে অনেক পর্যটককে সমুদ্রে নামতে দেখা যায়।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সমুদ্রের বিশালতা ও নীল জলরাশি পর্যটকদের টানছে অবিরাম। বালুকাবেলায় হাঁটা, ঢেউয়ের সঙ্গে খেলা কিংবা সমুদ্রের বাতাসে বসে থাকা অনেকের কাছে হয়ে উঠছে ক্লান্তি দূর করার সহজ উপায়।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চৈত্রের এই সময়টিতে ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও যারা আসছেন, তারা মূলত গরম থেকে মুক্তি পেতেই সমুদ্রস্নানকে বেছে নিচ্ছেন। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ও কিছুটা গতি ফিরছে।